টাঙ্গাইলে যৌনকর্মীদের এইডস প্রতিরোধে করণীয় শীর্ষক অ্যাডভোকেসি সভা

প্রকাশিত: ৯:৫২ অপরাহ্ণ, আগস্ট ২৭, ২০২০

টাঙ্গাইলে যৌনকর্মীদের এইডস প্রতিরোধে করণীয় শীর্ষক অ্যাডভোকেসি সভা

বাংলাদেশে ১৯৮৯ সালে এইচআইভি ভাইরাস শনাক্ত হওয়ার পর থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত সারা দেশে সাত হাজার ৩৭৪ জন নারী এইচআইভি পজিটিভ হয়েছেন। এর মধ্যে মারা গেছেন এক হাজার ২৪২ জন। শুধু ২০১৯ সালেই মারা গেছেন ১৭০ জন। এছাড়া ২০১৯ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশে আসা রোহিঙ্গাদের মধ্যে ১০৫ জন এইচআইভি পজিটিভ রয়েছেন।

বুধবার টাঙ্গাইল ডিসি লেকে আয়োজিত এইডসের বর্তমান পরিস্থিতি, যৌনকর্মীদের সাথে এর সম্পর্ক এবং এইডস প্রতিরোধে করণীয় শীর্ষক এক অ্যাডভোকেসি সভায় বক্তারা এ তথ্য তুলে ধরেন। ড্রপ ইন সেন্টার (ডিআইসি) টাঙ্গাইল ইউনিট এ অ্যাডভোকেসি সভার আয়োজন করে।

সভায় আরও জানানো হয়, টাঙ্গাইল সদরের পতিতাপল্লী ও মধুপুর বন এলাকায় বিপুলসংখ্যক নারী পতিতাবৃত্তির সাথে জড়িত। এর বাইরে শহরের পাঁচটি আবাসিক হোটেলে ৫৯ জন, কিছু বাসাবাড়িতে ৩১৮ জন এবং ভ্রাম্যমাণ ৩৯৯ জন নারী পতিতাবৃত্তির সাথে জড়িত। তাদের মধ্যে এইডস প্রতিরোধে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে নিরলসভাবে কাজ করছে ডিআইসি।

সভা সঞ্চালনা করেন ডিআইসি টাঙ্গাইলের কো-অর্ডিনেটর রিবাদ কিরণ আকন্দ। ফোকাল পার্সন ছিলেন অ্যাডভোকেট সৈয়দ সিরাজুল ইসলাম। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন অ্যাডভোকেট মালেক আদনান, জেলা কালেক্টরেট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় অ্যান্ড কলেজের প্রভাষক রিয়ান রাজা। এছাড়া ডিআইসি টাঙ্গাইলের ফিল্ড সুপারভাইজার পারভীন আক্তার ডলি ও সাইফুল ইসলামসহ অন্যরা মুক্ত আলোচনায় অংশ নেন।

বক্তারা বলেন, এইচআইভি ভাইরাস পজিটিভ কারও শরীর থেকে রক্ত গ্রহণ এবং জন্মগতভাবে ছাড়াও অনিয়ন্ত্রিত যৌন সম্পর্কের মাধ্যমে এই রোগটি ছড়িয়ে থাকে। তবে ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলার পাশাপাশি সচেতনতামূলক কিছু কাজ করলে এইচআইভি প্রতিরোধ করা যায়।


এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ